Header Ads

আগামীকাল অর্থাৎ ২রা জুলাই থেকেই কি টাকা ফেরৎ হবে অ্যালকেমিস্টের



নিজস্ব সংবাদদাতা : হাইকোর্টের নির্দেশে অ্যালকেমিস্ট প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব অনুসারে আগামী সোমবার, ২ জুলাই থেকে আমানতকারীদের প্রাপ্য দেওয়া শুরু হচ্ছে। ওইদিনই আবেদনকারীরা আদালত অবমাননার মামলাও রুজু করছেন অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে। কলকাতা হাইকোর্টে চিটফান্ড বিষয়ক বিশেষ বেঞ্চে, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর এজলাসে‌ আমানতকারীদের আইনজীবী এবং বিচারপতি এস ‌পি তালুকদার কমিটি যে রিপোর্ট দেবে তাতে প্রাপ্য দেওয়ার প্রক্রিয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হতে পারে। অভিযোগ, অ্যালকেমিস্ট ঘুরিয়ে হাইকোর্টে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। আদালতে তারা নিজেরাই বলেছিল, আমাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলাম করার দরকার নেই। আমরা নিজেরাই তালিকা তৈরি করেছি। সব আমানতকারীকে ম্যাচিওরিটি ভ্যালু–সহ পুরো বিনিয়োগ ফিরিয়ে দেব। আমানতকারীদের আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী ও অরিন্দম দাস বলেন, ওরা বলেছিল এজন্য দু’‌হাজার কোটি টাকার অর্থভাণ্ডার তৈরি রেখেছে। ২০ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন ২৫০ জনকে প্রাপ্য দেওয়া হবে। প্রাপক মোট ৩,৬০০ জন।এবার এরপর দ্বিতীয় তালিকায় হাত দেওয়া হবে। প্রতিশ্রুতি অনুসারে যাঁদের আগে ম্যাচিওর করেছে তাঁদের আগে দেওয়া হবে। অথচ গত কয়েক দিনে আলোচনার সময় বিচারপতি তালুকদার কমিটিকে তারা জানিয়েছে, আপাতত যাঁদের প্রাপ্য ১০ হাজার টাকার মধ্যে তাঁদেরই দেওয়া হোক। কারণ তাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থভাণ্ডার নেই। এতেই আশঙ্কা হচ্ছে, অ্যালকেমিস্ট হাইকোর্টকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে।‌‌‌‌ হয়তো সোমবারের পর কোনো আশার আলো দেখতে পারেন আমানতকারিরা।
 হাইকোর্টের নির্দেশে অ্যালকেমিস্ট প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব অনুসারে আগামী সোমবার, ২ জুলাই থেকে আমানতকারীদের প্রাপ্য দেওয়া শুরু হচ্ছে। ওইদিনই আবেদনকারীরা আদালত অবমাননার মামলাও রুজু করছেন অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে। কলকাতা হাইকোর্টে চিটফান্ড বিষয়ক বিশেষ বেঞ্চে, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর এজলাসে‌ আমানতকারীদের আইনজীবী এবং বিচারপতি এস ‌পি তালুকদার কমিটি যে রিপোর্ট দেবে তাতে প্রাপ্য দেওয়ার প্রক্রিয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হতে পারে। অভিযোগ, অ্যালকেমিস্ট ঘুরিয়ে হাইকোর্টে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। আদালতে তারা নিজেরাই বলেছিল, আমাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলাম করার দরকার নেই। আমরা নিজেরাই তালিকা তৈরি করেছি। সব আমানতকারীকে ম্যাচিওরিটি ভ্যালু–সহ পুরো বিনিয়োগ ফিরিয়ে দেব। আমানতকারীদের আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী ও অরিন্দম দাস বলেন, ওরা বলেছিল এজন্য দু’‌হাজার কোটি টাকার অর্থভাণ্ডার তৈরি রেখেছে। ২০ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন ২৫০ জনকে প্রাপ্য দেওয়া হবে। প্রাপক মোট ৩,৬০০ জন।এবার এরপর দ্বিতীয় তালিকায় হাত দেওয়া হবে। প্রতিশ্রুতি অনুসারে যাঁদের আগে ম্যাচিওর করেছে তাঁদের আগে দেওয়া হবে। অথচ গত কয়েক দিনে আলোচনার সময় বিচারপতি তালুকদার কমিটিকে তারা জানিয়েছে, আপাতত যাঁদের প্রাপ্য ১০ হাজার টাকার মধ্যে তাঁদেরই দেওয়া হোক। কারণ তাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থভাণ্ডার নেই। এতেই আশঙ্কা হচ্ছে, অ্যালকেমিস্ট হাইকোর্টকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে।‌‌‌‌ হয়তো সোমবারের পর কোনো আশার আলো দেখতে পারেন আমানতকারিরা। 

No comments

Theme images by konradlew. Powered by Blogger.